বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

আইফোন এয়ারের ব্যাটারিতে কেমন ব্যাকআপ পাওয়া যাবে

আইফোন ১৭ সিরিজ নিয়ে বিশ্বজুড়ে চলছে তুমুল আলোচনা। অ্যাপলের নতুন ফোনগুলো বাজারে আসার পর থেকেই প্রযুক্তিপ্রেমীরা ব্যবহার অভিজ্ঞতা শেয়ার করছেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে আইফোন এয়ার। এটিই এখন পর্যন্ত অ্যাপলের সবচেয়ে পাতলা আইফোন। তবে সরু নকশার কারণে কিছু ছাড় দিতে হয়েছে—ব্যাটারি তুলনামূলক ছোট, ক্যামেরা সংখ্যা কম এবং আগের প্লাস মডেলের তুলনায় দামও বেশি। তবু এর অভিনব প্রকৌশল নকশা ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি কেড়েছে।

আইফোন এয়ারে ব্যবহার করা হয়েছে প্রায় ৩১০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। এতে সিলিকন-কার্বন প্রযুক্তি রাখা হয়নি, যা পাতলা ব্যাটারিতেও শক্তি সঞ্চয়ের ক্ষমতা বাড়াতে পারে। তবে ফোনটির ভেতরের উপাদানগুলো উপরের অংশে গুছিয়ে বসানো হয়েছে, যা অ্যাপলের প্রকৌশল দক্ষতার উদাহরণ হিসেবে ধরা হচ্ছে। তবু মূল প্রশ্ন থেকেই গেছে—একবার চার্জে ফোনটি আসলেই পুরো দিন চলবে কি না।

প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট টম’স গাইডের পরীক্ষায় দেখা গেছে, আশঙ্কার মতো খারাপ নয় আইফোন এয়ারের ব্যাটারি। ফোনটি গড়ে প্রায় ছয় ঘণ্টা স্ক্রিন-অন টাইম দিয়েছে এবং ওয়েব ব্রাউজিংয়ে টিকেছে টানা ১২ ঘণ্টা। পারফরম্যান্সে এটি অনেকাংশে আইফোন ১৭-এর সমান এবং কিছু ক্ষেত্রে স্যামসাং গ্যালাক্সি এস২৫ এজ মডেলের সঙ্গেও তুলনীয়। তবে পুরোপুরি সন্তোষজনক ফল পাওয়া যায়নি। কারণ একই সিরিজের আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে ৫০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, যা টানা আরও ছয় ঘণ্টা বেশি ব্যবহার করা যায়। তাই দীর্ঘ সময় বাইরে থাকলে আইফোন এয়ার ব্যবহারকারীদের দিনের মাঝপথে চার্জ দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।

গত ৯ সেপ্টেম্বর অ্যাপলের বার্ষিক আয়োজনে উন্মোচন করা হয় আইফোন ১৭ সিরিজ। ১২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রি-অর্ডার শুরু হয় এবং ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নতুন ফোনগুলো। অ্যাপলের সবচেয়ে পাতলা আইফোন হিসেবে আলোচনায় থাকা এয়ার নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রযুক্তি বিশ্বে নানা মতামত ঘুরছে। কেউ একে ডিজাইনের নতুন অধ্যায় বলছেন, আবার কেউ ব্যাটারিকে বড় সীমাবদ্ধতা হিসেবে দেখছেন।

তথ্যসূত্র: নিউজ১৮ ডটকম

আরও দেখুন

সম্পৃক্ত

Back to top button