আড়াইহাজারে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে দীর্ঘ দেড় বছর পর গ্রেফতার হয়েছেন আড়াইহাজার সরকারি সফর আলী কলেজের সাবেক জিএস ও নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা সুমন। বুধবার রাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ‘হত্যা’ হিসেবে উঠে আসার পর পুলিশ এই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

আজ থেকে প্রায় ১৮ মাস আগে সুমনের স্ত্রীর রহস্যজনক মৃত্যু হয়। সেই সময় বিষয়টিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বা দুর্ঘটনা হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। তৎকালীন রাজনৈতিক প্রভাব ও স্থানীয় চাপের মুখে ঘটনার প্রকৃত সত্য আড়ালে পড়ে থাকে। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে শুরু থেকেই এটি হত্যাকাণ্ড বলে দাবি জানানো হয়েছিল।
দীর্ঘ দেড় বছর আইনি প্রক্রিয়া ও ফরেনসিক পরীক্ষার পর সম্প্রতি নিহতের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পুলিশের হাতে পৌঁছায়। রিপোর্টে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয় যে, এটি কোনো স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না বরং তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই রিপোর্টটি মামলার মোড় সম্পূর্ণ ঘুরিয়ে দেয়।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টে হত্যার প্রমাণ মেলার পরপরই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। বুধবার রাতে আড়াইহাজার থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাবেক জিএস সুমনকে গ্রেফতার করে।





