
ঘুমের মধ্যেও অনেক সময় হার্ট ফেলিওর ঘটনা ঘটে। তবে এর যে লক্ষণ দেখা যায়, সেগুলো জানা থাকলে আগে থেকেই সাবধান হতে পারবেন। কী সেই লক্ষণগুলো?
বেশ কিছু উপসর্গ দেখে হার্ট ফেলিওরের পাশাপাশি সতর্কও হওয়া যাবে। কিছু উপসর্গ ঘুমের মধ্যে দেখা দিলে সতর্কও হতে হবে। হার্ট ফেলিওরের উপসর্গগুলো কী? আজ সেটি জেনে নিন।
অনেকেই হার্ট অ্যাটাক ও হার্ট ফেলিওরের ফারাকও বুঝতে পারেন না। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনুযায়ী, এই দু’টি একেবারেই পৃথক। বিভিন্ন কারণে হৃদযন্ত্রের পেশি দুর্বল হয়ে গিয়ে পাম্প করার ক্ষমতা কমে যেতে পারে। আর তখন রক্ত চলাচলও ব্যাহত হয়। অক্সিজেনের ঘাটতির কারণে শুরু হয় বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা। এটি হার্ট ফেলিওর। হার্ট বিষয়টি একেবারেই অন্যরকম। হৃতপিণ্ডের রক্তবাহী ধমনীতে চর্বির স্তর জমে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর হার্টের পেশি অক্সিজেনের অভাবে ধুঁকতে শুরু করে। দৈনন্দিন জীবনের নানা অনিয়মের কারণে হার্ট অ্যাটাকের পাশাপাশি হার্ট ফেলিওরের সংখ্যা বাড়ছে দিনকে দিন। কিছু উপসর্গ ঘুমের মধ্যে দেখা দিলে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে। হার্ট ফেলিওরের উপসর্গগুলো কী?
রাতে ঘুম ভেঙে যাওয়া
সাধারণভাবে হার্ট ফেলিওরের সমস্যা শুরুর কারণ হিসেবে রাতে মাঝে মাঝে ঘুম ভেঙে যেতে পারে। ওই সময় বুকে ব্যথা, ঘাম হওয়া, বুক ধড়ফড় করার মতো উপসর্গগুলোও দেখা যেতে পারে। এমন উপসর্গ মাঝে-মধ্যে হলেই, অবহেলা করা একেবারেই উচিত হবে না। বরং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।
হঠাৎ হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া
হার্ট ফেলিওরের কারণে ঘুমের মধ্যে আচমকা হৃদস্পন্দন বেড়েও যেতে পারে। বুক ধড়ফড়ানির কারণে শরীরে অস্বস্তিও শুরু হয়। যে কারণে আচমকা ঘুম ভেঙে যেতে পারে রোগীর। এমন ঘটনা প্রায়শই হতে থাকলে মোটেই দেরি করা ঠিক হবে না। যতো দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
শ্বাসকষ্ট হওয়া
হার্ট ফেলিওরের ক্ষেত্রে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রাতে প্রবল শ্বাসকষ্ট হয়। এই ধরনের সমস্যাকে বলা হয়ে থাকে “প্যারোক্সিসমাল নক্টানার্ল ডিসপনিয়া’। এই সমস্যা সাধারণত ঘুমিয়ে পড়ার কয়েক ঘণ্টা পরই শুরু হয়ে থাকে। শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি নানা উদ্বেগ, ভয়ের মতো উপসর্গও দেখা দেয় এই সময়। তথ্যসূত্র: এই সময়।






