শরীর স্বাস্থ্য

ব্রেকফাস্টে কলা খেলে কী কী সুফল পাবেন?

স্টাফ রিপোর্টার: অনেকেরই কিন্তু নানা কাজের কারণে ধীরেসুস্থে ব্রেকফাস্ট করার সময়ও হয়ে ওঠে না। তবে খালি পেটে কাজে যাওয়া মোটেও চলবে না। তাই তাড়াহুড়োর মধ্যে দু’টো কলা খেয়ে নিতে পারেন।

প্রায় সকলেরই সকালবেলা হাজার একটা কাজ এসে হাজির হয়। যে কারণে অফিসে বের হওয়ার তাড়া থাকে। লাঞ্চও তৈরি করতে হয়। আবার তারসঙ্গে ঘরদোরও গুছিয়ে রাখতে হয়। হাজার কাজের ফাঁকে ধীরেসুস্থে ব্রেকফাস্ট করার সময়ও হয় না। তবে খালি পেটে কাজে যাওয়াও ঠিক না। তাই তাড়াহুড়োর মধ্যে দু’টো কলা খেয়ে নিন। আবার স্মুদি বা ওটসও খেতে পারেন। তবে সঙ্গে রাখতেই হবে কলা।

কলা এনার্জির পাওয়ার হাউস

কলার মধ্যে প্রাকৃতিক শর্করা এবং ভিটামিন বি রয়েছে। কলা খেলে শরীরে কাজ করার শক্তিও পাবেন। কলায় শর্করা এবং ফাইবার দু’টোই রয়েছে। কলার ফাইবার শর্করা শোষণের প্রক্রিয়াকেও ধীর করে দেয়। ওয়ার্কআউটের আগে কিংবা পরে কলা খেলে শরীরে দারুণ এনার্জিও পাওয়া যায়।

অন্ত্রের জন্যও উপকারী কলা

হজমের সমস্যা হতে মুক্তি পেতে কলা খেতে পারেন। গ্যাস-অম্বল খেলে হলে একটা পাকা কলা খেয়ে নিতে পারেন। এতে করে বদহজম থেকেও মুক্তি পাবেন। এ ছাড়াও প্রতিদিন কলা খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও এড়িয়ে যেতে পারবেন। কলা হচ্ছে প্রিবায়োটিক। এটি অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়ার পরিমাণ বাড়াতেও সাহায্য করে ও হজম ক্ষমতাও বাড়ায়।

রক্তচাপ বশে রাখে কলা

হাইপারটেনশন নিয়ে উদ্বেগেরও শেষ নেই। উচ্চ রক্তচাপের জেরে বাড়ে হৃদরোগের ঝুঁকি। তাই এই সমস্যাকে বশে রাখতে কলা খেতে হবে। কলাতে উচ্চ পরিমাণে পটাশিয়াম রয়েছে, যা শরীর হতে অতিরিক্ত সোডিয়াম বের করে দেয় ও রক্তনালিগুলোকে শিথিল রাখে। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে হৃদরোগের ঝুঁকিও কমায় এই কলা।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কলা

অনেকের ধারণা ডায়াবেটিস থাকলে কলা খাওয়া যায় না। তবে, দিনে দু-একটি কলা খেলে সুগার বাড়ার তেমন একটা ভয় নেই। কলার মধ্যে ফাইবারও রয়েছে, যা শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে। কলায় কার্বস থাকলেও এটি সেই অর্থে অবশ্য সুগার লেভেল বাড়ায় না। তাই ডায়াবেটিসে দু-একটা কলা অনায়াসে খাওয়া যেতেই পারে। তথ্যসূত্র: এই সময়।

আরও দেখুন

সম্পৃক্ত

Back to top button